Comic Story
Panel 1
সে রাতে ইতিহাস বদলাতে বসেছিল, যখন আকাশ লাল হয়ে উঠেছিল। হাগারে গ্রামের আগুন শুধু ঘরবাড়ি পোড়ায়নি, পুড়িয়েছিল মানুষের বিশ্বাসও।
Panel 2
আগুনের মধ্য থেকে যখন তাকে উদ্ধার করা হলো, তখন সবাই দেখলো সেই অশুভ চিহ্ন। ছেলেটির হাতে ছিল অন্ধকারের এক জ্বলন্ত সীলমোহর।
Panel 3
ভয় আর সন্দেহে গ্রামবাসীরা পিছিয়ে গেল। তাদের চোখে ভালোবাসা ছিল না, ছিল কেবল এক অকথ্য আতঙ্ক।
Panel 4
কেবল একজন বৃদ্ধ শিনোবি এগিয়ে এলেন, তার চোখে ছিল প্রজ্ঞা আর গভীর দুঃখ। তিনি বললেন, “ভয় পেও না, এই শিশুই হয়তো আমাদের শেষ আশ্রয়।”
Panel 5
ষোলো বছর কেটে গেছে, কিন্তু গ্রামের মানুষের চোখ বদলায়নি। রক্ষাক আজও একা, নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ খুঁজছে নিনজা একাডেমির পথে।
Panel 6
কিন্তু একাডেমিতেও সে একঘরে, সবার কাছে সে এক “দানব ছেলে”। আরিনের ব্যঙ্গ আর বাকিদের হাসি তার প্রতিদিনের সঙ্গী।
Panel 7
আজ ছিল ক্লোন জুৎসু পরীক্ষা, রক্ষকের শেষ সুযোগ। সে সবটুকু শক্তি দিয়ে চেষ্টা করলো, কিন্তু ফলাফল এলো হতাশাজনক।
Panel 8
তার সামনে তৈরি হলো এক দুর্বল, ফ্যাকাশে আর অসম্পূর্ণ ক্লোন, যা দাঁড়াতে না পেরে মাটিতে পড়ে গেল। চারিদিকে হাসির রোল উঠলো, যা রক্ষকের হৃদয়কে বিদ্ধ করলো।
Panel 9
কাইরো সেন্সেই তার সামনে এসে দাঁড়ালেন, তার মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই। তিনি শান্ত কিন্তু কঠিন গলায় রায় দিলেন, “তুমি ফেল, রক্ষাক।”
Panel 10
সেই রাতে, নিজের ঘরে অন্ধকারে বসেছিল রক্ষাক। হঠাৎ তার মনের গভীরে এক শীতল কন্ঠস্বর ভেসে এলো, “সাহায্য চাস?”
Panel 11
রক্ষাক চোখ বন্ধ করতেই দেখতে পেল এক বিশাল অন্ধকার জগৎ। সেখানে শিকল দিয়ে বাঁধা এক ছায়ামূর্তি, যার অস্তিত্বই যেন ভয় আর শক্তির প্রতীক।
Panel 12
ছায়ামূর্তিটি হাসলো, তার লাল চোখ দুটি অন্ধকারে জ্বলজ্বল করছিল। সে বলল, “আমার শক্তি গ্রহণ কর, আর ওদের সবাইকে দেখিয়ে দে তুই কী জিনিস।”
Panel 13
কাইরো সেন্সেই শেষ সুযোগ হিসেবে এক বিপজ্জনক পরীক্ষার ঘোষণা করলেন। তিনি বললেন, “এই পরীক্ষায় যে টিকবে, সেই হবে নিনজা, বাকিরা চিরদিনের জন্য বাদ পড়বে।”
Panel 14
অভিশপ্ত জঙ্গলে, একটি প্রাচীন পাপেট রক্ষাককে আক্রমণ করলো, যার শক্তি ছিল ধারণার বাইরে। আরিন আর মিকা তাকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজেরাই বিপদে পড়ল।
Panel 15
রক্ষাক মাটিতে পড়ে আছে, তার বন্ধুরা বিপন্ন। সে শুনতে পেল কুরোশির কণ্ঠ, “এখনো সময় আছে, শুধু একবার আমার নাম নে।”
Panel 16
রক্ষাক চিৎকার করে উঠলো, “আমি পালাবো না!” তার হাত থেকে কালো শক্তি বিস্ফোরিত হলো, যা পুরো জঙ্গলকে কাঁপিয়ে দিল।
Panel 17
মুহূর্তের মধ্যে, তার চারপাশে তৈরি হলো এক ডজন নিখুঁত ছায়া ক্লোন। প্রতিটি ক্লোনের চোখে ছিল একই সংকল্প আর অপ্রতিরোধ্য শক্তি।
Panel 18
সবাই স্তব্ধ হয়ে দেখছিল, এমনকি কাইরো সেন্সেই দূর থেকে দেখেও অবাক হলেন। রক্ষাক আর তার ক্লোনেরা একসাথে আক্রমণ করে পাপেটটিকে ধ্বংস করে দিল।
Panel 19
পাহাড়ের চূড়ায় একা দাঁড়িয়ে ছিল রক্ষাক, চাঁদের আলোয় তার মুখ উদ্ভাসিত। সে তার নিয়তিকে মেনে নিয়েছে, ভয়কে নয়।
Panel 20
সে ফিসফিস করে বলল, “আমি এই দুনিয়ার রক্ষাক হবো...” “…চাই দুনিয়া আমাকে যেভাবেই দেখুক না কেন।”
Panel 21
কিন্তু... যখন দুনিয়াই রক্ষককে ভয় পেতে শুরু করবে... তখন কী হবে?