Comic Story
Panel 1
কলকাতার বুকে পাঁচতলা রোড এক পুরনো ধাঁধার মতো। দিনের বেলায় ব্যস্ত, কিন্তু রাত নামলেই এর গল্প বদলে যায়।
Panel 2
রাস্তার শেষে দাঁড়িয়ে আছে বিল্ডিং নম্বর পঁয়তাল্লিশ, যার খ্যাতি এক অন্ধকার জানালা ঘিরে। লোকে বলে, ওখানে অপেক্ষা করে এক বিষণ্ণ আত্মা।
Panel 3
ফারহান: “ওই তো সেই অন্ধকার জানালা! চল না, আজ একটু কাছ থেকে দেখি ব্যাপারটা কী?”
Panel 4
সোহিনী: “পাগল হয়েছিস? সবাই জায়গাটাকে এড়িয়ে চলে, আর তুই ওখানে যেতে চাইছিস!”
Panel 5
রাহুল: “লোকেরা বলে নন্দিনী নামের এক মেয়ে পিয়ানো বাজাতো। এক রাতে সেই সুর থেমে যায়, আর মেয়েটিও হারিয়ে যায়।“
Panel 6
হঠাৎ নিস্তব্ধতা ভেঙে একটা পিয়ানোর সুর ভেসে এলো। খুব ধীর, বিষণ্ণ আর অদ্ভুত এক সুর।
Panel 7
সোহিনী: “এটা তো জীবন্ত সুর! কিন্তু ওই বাড়ি তো কুড়ি বছর ধরে তালাবন্ধ!”
Panel 8
ফারহান মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে ভেতরে পা রাখল। ধুলো আর মাকড়সার জালে ভরা এক জগৎ, যার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে একটা পিয়ানো।
Panel 9
পিয়ানোর পাশে আবছা একটা ছায়া দাঁড়িয়ে। ছায়াটা ধীরে ধীরে তাদের দিকে ঘুরল।
Panel 10
তার মুখে চোখ ছিল না, ছিল দুটো ফাঁকা গর্ত। ঠোঁট নড়ে উঠল, “আমি কি ফিরে যেতে পারি?”
Panel 11
প্রচণ্ড শব্দে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল! রাহুল আর সোহিনী ভয়ে সিঁড়ির দিকে ছুটল।
Panel 12
কিন্তু সিঁড়িটা যেন শেষই হচ্ছিল না। পাঁচ তলা, ছয় তলা, সাত তলা—ভবনটা যেন অসীম হয়ে বাড়ছিল।
Panel 13
ফারহান দেখল, মেয়েটা अब সিঁড়ির নিচে দাঁড়িয়ে। সে হাত বাড়িয়ে বলছে, “আমাকে একটা গান শোনাবে?”
Panel 14
কোনোভাবে ওরা বাইরে বেরিয়ে এল, ওদের নিঃশ্বাস কাঁপছিল। কিন্তু জানালার দিকে তাকাতেই ওরা জমে গেল।
Panel 15
ওই অন্ধকার জানালায় এখন তিনটি নতুন মুখ। এখন থেকে ওরাও ওই জানালারই অংশ।
Panel 16
এখনও গভীর রাতে ওই বাড়ি থেকে পিয়ানোর সুর ভেসে আসে। আর এক বিষণ্ণ কণ্ঠ ফিসফিস করে বলে, “তুমিও কি থাকবে আমার সাথে?”